Posts

Showing posts from October, 2020

দিনের শেষে একটু হাসুন ৩১ অক্টোবর ২০২০

Image
                            দিনের শেষে  ৩ ১/১০/২০২০ ১) ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত "জেমস বন্ড"-চরিত্রের সফল স্কটিশ অভিনেতা থমাস সিয়ন কনারি!  ২) কোভিড টিকাকরণে সব রাজ্যকে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিল কেন্দ্র!  ৩) বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক হাজারেরও বেশী ওভার বাউন্ডারি হাঁকানোর কৃতিত্ব অর্জন করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইল!  ৪) চিনা কমিউনিস্ট পার্টির অন্দরমহলে জল্পনা শুরু - আজীবন প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে চান শি জিনপিং !  ৫) টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া(TRAI) জানিয়েছে যে Reliance Jio-র গ্রাহক সংখ্যা এই মূহুর্তে ৪০.৫৬ কোটি!  ৬) অভিনেতা ভিক্টর ব্যানার্জি বোস্টনে ওন্টারিও ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সম্মানিত!  ৭) আজ আই পি এল-এর ৫২-তম ম্যাচে মুখোমুখি রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ! ৮) বেঙ্গালুরুর অলাভজনক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান "Public Affairs Center"-এর সমীক্ষা অনুযায়ী সুশাসনের বিবেচনায় কেরল ভারতের সেরা রাজ্য!  ৯) রাশিয়ান ভ্যাকসিন Sputnik-V'এর হিউম্যান ট্

জন কীটস /সন্দীপ কাঞ্জিলাল

Image
" শ্রুত ধ্বনি মধুর, কিন্তু অশ্রুত ধ্বনি মধুরতর" "সে, শুধু সে-ই পারে পরতে অমরত্বের মুকুট, যে শুনেছে বাতাসের কণ্ঠস্বর।" John Keats জন কীটস  (৩১/১০/১৭৯৫--২৩/০২/১৮২১) সন্দীপ কাঞ্জিলাল প্রচন্ড জ্বর! কাশি! কফ যখন ফেলছি দেখছি রক্ত উঠছে কিনা। জ্বর কমানোর ঔষধ খেয়ে সারা শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে। একটু তন্দ্রা ভাব! দেখতে পাচ্ছি একটি তরতাজা যুবক প্রচণ্ড জ্বর গায়ে কাশতে কাশতে দম বন্ধ হয়ে আসছে। আর মুখ দিয়ে উঠছে তাজা লাল রক্ত। ছেলেটি মোমবাতির আলোয় রক্ত দেখে বলছে, এ রক্তের রং আমি চিনি, এ রক্ত উঠে এসেছে ধমনি থেকে। এ রক্ত নয়, আমার মৃত্যুর সমন। ডাক্তার এলো। তখনও যক্ষার চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। প্রথা অনুসারে কিছু রক্ত হাতের শিরা কেটে বের করে দেওয়া হলো। যাতে মুখ দিয়ে না রক্ত ওঠে। এ যক্ষা নাকি তাঁর মায়ের ছেলেকে দান। মা ছিলেন প্রচণ্ড পানাসক্ত। ছেলেটির জন্মের সময় ও তাঁর মা মদ্যপানে বিরতি দেননি। মায়ের গর্ভে থাকাকালীন এক জটিল রোগে আক্রান্ত হয় গর্ভস্থ সন্তান। যার নাম "ফিটাল অ্যালকোহল সিনড্রোম" সংক্ষেপে "ফ্যাস"। যা পরে সন্তানকে যক্ষায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দি

প্রাচীন ভারত, ইতিহাস ও বিজ্ঞান-৫ / অনিন্দ্যসুন্দর পাল

Image
ধারাবাহিক-প্রাচীন ভারত, ইতিহাস ও বিজ্ঞান (Ancient India, History & Science)    পঞ্চম পর্ব অনিন্দ্যসুন্দর পাল অলংকরণ- শ্রেয়সী ভট্টাচার্য্য           ঐতিহাসিক উৎস, প্রকারভেদ ও ধারণা -২ পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখনও অবধি প্রায় ৭০,০০০ লেখমালা আবিষ্কৃত হয়েছে। এই লেখমালা যেমন একদিকে অতীত সম্পর্কিত ধ্যান-ধারণার একটি পুঞ্জীভূত অধ্যায় ঠিক তেমন অন্যদিকে প্রাচীন ভারতের ইতিহাস আলোচনার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের অন্যতম দাবিদার। অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সরকারের মতে, এখন অবধি প্রায় ৭০,০০০ লেখমালা আবিষ্কৃত হয়েছে এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ, নেপাল, এবং বহির্ভারতেও এদের বিস্তৃতি লক্ষ্য করা যায়। তবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য লেখমালায় দেশীয় ভাষার (যেমন তামিল, তেলেগু, কানাড়া) পাশাপাশি বৈদেশিক ভাষা (যেমন গ্রীক, আরামীয়) ব্যবহৃত হত।       তাই, লেখমালাকে একই শ্রেণীতে না রেখে এর চরিত্র অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীতে রাখতে সচেষ্ট হন ঐতিহাসিকরা। আমরা জানি, লেখমালা প্রধানত দুই প্রকার। এক, দেশীয় ও দুই বিদেশীয়। এছাড়াও লেখমালাকে আরো অন্যভাবে বিভাজন করা সম্ভব হয় যেমন, বাণিজ্যিক, ধর্মীয়, শিক্ষামূলক, প্রশাসনিক, প্রশস্তিমূলক,

অ্যাঁতেলেকত্যুয়েল বনাম আঁতেল-২৪/ সন্দীপ কাঞ্জিলাল

Image
 অ্যাঁতেলেকত্যুয়েল বনাম আঁতেল-২৪ প্রকৃত বুদ্ধিজীবী, বুদ্ধিবৃত্তি ও হৃদয়বৃত্তি দুটোতেই সমৃদ্ধ হয়। একজন অশিক্ষিত চোর মালগাড়ি থেকে মাল চুরি করে,আর একজন শিক্ষিত চোর গোটা মালগাড়িটাই চুরি করে নেয়। সন্দীপ কাঞ্জিলাল বুদ্ধিজীবী ও সমাজ-২         আগের পর্বে আলোচনা করেছিলাম, সমাজ জনগণকে জানিয়ে দিয়েছে লেখক, কবি শিল্পী এরা বুদ্ধিজীবী। এদের মুলধন ভাষা, ভাব এবং প্রকাশ করার ভঙ্গিমা। লেখক কবিরা সমাজে মানুষের কাছে পৌঁছানোর অন্যতম উপাদান ভাষা, এই ভাষা যেমন শ্রেণি-নিরপেক্ষ না, যেমনি নিরপেক্ষ নয় বুদ্ধিজীবীর দায় দায়িত্ব। এই ভাষা নির্মাণ এবং এর ব্যবহারের যে রাজনীতি সেখান থেকেই আমরা পাই সমাজ পরিবর্তনে সক্রিয়, জনস্বার্থ বিরোধী এবং নিষ্ক্রিয় বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা। অনেক সত্য ও শুধু ভাষার কারণে, অর্ধসত্যে পরিণত হয়। আবার অনেক সময় ভাষার জন্য সত্য ও মিথ্যায় পর্যবসিত হয়। আবার সমাজের বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী যারা প্রকাশ্যে সত্য বলতে চান বা বলতে বাধ্য হন, তাদের ভাষা জটিলতার কারণে সমাজে বিভ্রান্তি আরও বাড়ে। আর সকলে জানে, ভাষার কারণে যে সত্য অর্ধসত্যে পরিণত হল, তা বড় ভয়ঙ্কর।  যিনি বা যাঁরা লেখেন, তাঁরা তাদের ভেতরের

৩১ অক্টোবর ২০২০

Image
Today is the 31October, 2020 আজকের দিন  বাংলায় --১৪ কার্তিক ১৪২৭ শনিবার  আজ, ভারতের  প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবস। ১৯৮৪ সালের জুন মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আদেশে শিখদের পবিত্র ধর্মাশালা স্বর্ণমন্দিরে ভারতীয় সেনা হানা দেয়৷ তার খেসারত তিনি দেন সে বছরই ৩১ অক্টোবর৷ তাঁর নিজের দেহরক্ষীরাই  তাঁর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয়। আজ, ভারতীয় লেখক অমৃতা প্রীতমের প্রয়াণ দিবস। কবিতা, কল্পকাহিনী, জীবনী, উপন্যাস, প্রবন্ধ, লোক সঙ্গীত প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় দুইশোটি গ্রন্থ রচনা করেন, যা বিভিন্ন ভারতীয় ও বিদেশী ভাষায় অনূদিত হয়। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান হল পিঞ্জর নামক একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে তিনি পারো নামক একটি স্মরণীয় চরিত্র সৃষ্টি করেন, যাকে তিনি নারীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার, মানবতা লঙ্ঘন এবং অস্তিত্ববাদের প্রতি সমর্পণের বিরুদ্ধে একটি মূর্ত প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। আজ, কল্পবিজ্ঞান লেখক সিদ্ধার্থ ঘোষের প্রয়াণ দিবস। আসল নাম অমিতাভ ঘোষ। পেশায় প্রযুক্তিবিদ।আনন্দমেলায় কল্পবিজ্ঞানের লেখক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন। সেখান থেকে সুকুমার, সত্যজিৎ হয়ে 'কলের

দিনের শেষে একটু হাসুন ৩০ অক্টোবর ২০২০

Image
                            দিনের শেষে   ৩০/১০/২০২০ ১ ) নেটওয়ার্ক এনালিস্ট ফার্ম Ookla জানিয়েছে যে Vi(ভি আই) সবথেকে দ্রুততম নেটওয়ার্ক প্রদান করছে এবং  4G পরিষেবার উপলব্ধতার দিক দিয়ে এগিয়ে আছে Jio!  ২) বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ কোভিড ১৯-এর ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন স্কুল খোলার আহ্বান জানিয়েছে! ৩) উপগ্রহ চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে ISRO(Indian Space Research Organization)-র বাণিজ্যিক শাখা Antrix Corporation-কে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলল সেই দেশের আদালত!  ৪) আজারবাইজানের বিরুদ্ধে  রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান- এর ৪২ বছরের সহধর্মিণী আনা হাকোবিয়ান!  ৫) কালীপুজোর আগে রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করার ব্যাপারে তৎপরতা শুরু হয়েছে।  ৬) আই এস এল-এ  এটিকে-মোহনবাগান এবং এস সি ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হচ্ছে ২৭ নভেম্বর!  ৭) বিগত ২০০ দিনে তাইওয়ানে একজনও করোনায় আক্রান্ত হয়নি!  ৮) আগামী ডিসেম্বরের শুরুতে International Cricket Council(ICC)চেয়ারম্যান নির্বাচনে নিউজিল্যান্ড-এর গ্রেগ বার্কলে-কে সমর্থন করার সম্ভাবনা ভারতের!  ৯ ) মহারাষ্ট্রে মাস্ক না পরে  ট্রেনে

গুচ্ছ কবিতা /অমিতরূপ চক্রবর্তী

Image
ফোটোগ্রাফি - সৈয়দ স্নেহাংশু  গুচ্ছ কবিতা  অমিতরূপ চক্রবর্তী  আকন্দ স্বপ্নে একটি উঁচু টিলা থেকে তুমি নেমে আস। হেঁটে আস অত্যন্ত ধীরে। গোদ ধরলে মানুষের পা যেমন ফুলে যায়, তোমার পা দুটোও তেমনি ফোলা। হাঁটার গতি দেখে মনে হয় তারা প্রচণ্ড ভারী-ও। স্বপ্নের ভেতরে কাকভোরের রঙ। হিঁ হিঁ করা গাছগুলোর ডালে কচ্চিৎ দু-একটি নিরালম্ব পাখি। তারা ঠোঁট গরম চুল্লির মতো ফাঁক করে ডাকে। গোটা স্বপ্নে কেমন একটা স্বাদহীন কুয়াশা। ইউরিনালের ঝাঁঝ। সাবেক সিনেমাহলের মতো কয়েকটি ছন্নছাড়া বাড়ি। তাদের দরজা– জানালা বন্ধ।তুমি হেঁটে একটা লক্ষণরেখার মতো রেলপথ পেরোও।তারপর সাদা, শিথিল একটা পঞ্চাশোর্ধ মাঠ। চোরকাটা তখনই লেগে যায় তোমার অদৃষ্টে। সেফটিপিন দিয়ে আটকানো চটির স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে ফিনকি দিয়ে বেরোয় রক্ত।  চুল্লির মতো ঠোঁট ফাঁক করে যে পাখিগুলো ডাকে কীসের একটা শব্দ পেয়ে যেন উড়ে যায়। তখন একটি পুরুষ তোমার ভেতর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে পাজামার গিঁট খুলে সেইসব গাছের একটার গোড়ায় দাঁড়ায়। ছাদ থেকে ম্যাস্টিকের রাস্তায় জল পড়ার শব্দ হয়। দীর্ঘ একটা সময় কেটে যায় অথচ সেই জল পড়ার শব্দ ফুরোয় না। পুরুষটি সে-সময় ঘাড় ভাঁজ করে আকাশে তাকিয়ে

গুচ্ছ কবিতা/ বিকাশ চন্দ

Image
ফোটোগ্রাফি - সৈয়দ স্নেহাংশু  গুচ্ছ কবিতা  বিকাশ চন্দ নীল চাঁদে অরূপ নির্মিতি বালিয়াড়ি চেনে না সমুদ্র চেনে ফণি মনসা ঝোপ কতকাল টেনেছে শরীর কামটের দাঁত কালো কাঠ ছড়িয়ে শ্মশান চিতা সম্পর্ক পরম্পরা নিভু নিভু গ্রহ নক্ষত্র জানে হৃদয় জোড়া এ সময় ঘিরে আছে পাষান প্রাচীর তবুও কি সুখে জোনাকি নাচে প্রেম রোষে প্রতি রাত ভাষালোকে কাঁপে জলজ বাতাস ছদ্মবেশ হীন সময়ে এ কেমন আত্মার বিবশ বিশ্রাম।  অবিনশ্বর মহাকাল জানে জীবন আর মুক্তি ঘিরে আছে অপূর্ণ প্রেমালাপ মগ্ন অবসাদ পাখি ফুল গাছেদের অলৌকিক প্রার্থনা আজও জীবন মরণ পাশাপাশি মধ্যে ব্যাকুল চরাচর মুক্তি খোঁজে সমুদ্র শালিক গাঙচিল আকাশ মহিমায় মোহনার ভাঙ্গা সেতু শরীর ছুঁয়েছে জন্ম সাঁকো  মরা স্রোত গা ভেজায় আত্মমগ্ন চাতক পরিহাস নদী নারী উচ্ছলতা যদিও জানে এ সময়ের নীল নির্মমতা।  সকল নারীর শরীরে বেড়ে ওঠে সকল অধিষ্ঠাত্রী উৎস মুখের জারিত গল্পে কেন হবে মন্দ স্রোতা সুর চিরন্তন আত্ম কৃতি ডাকে পূর্ণিমার নীল চাঁদে অরূপ নির্মিতি।           বোধন ডহর শালুকের মা এদিক ওদিক মাথা তুলে গ্রাম দেখেছিল মাংসাশী পশু আর মুখ বাঁধা মানুষের বেয়াড়া হিম্মত কেউ কেউ বলেছিল শেখাবো রাজনীত

বব ডিলান ও তাঁর কবিতা /সৌম্যদীপ চক্রবর্তী

Image
বব ডিলান ও তাঁর কবিতা  সৌম্যদীপ চক্রবর্তী সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনচর্চায় অনন্য অবদানের জন্য প্রতি বছর বিশিষ্ট লেখক, কবি, সাহিত্যিকেরা নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়ে থাকেন। নোবেল পুরস্কারের সাথে জড়িয়ে রয়েছে এক সুদীর্ঘ ইতিহাস। বিগত দুই দশকে নোবেল পুরস্কারের ইতিহাস ও পরম্পরা আরো সমৃদ্ধ হয়েছে, দীর্ঘায়িত হয়েছে সাহিত্যে নোবেল জয়ীর তালিকা। বিগত দুই দশকে সাহিত্যে নোবেল প্রাপকদের তালিকা থেকে 'সুইডিশ আকাদেমি' কর্তৃক প্রস্তুত মনোনয়ন, নির্বাচন ও স্বীকৃতি পত্রে 'কবি' হিসেবে উল্লেখিত চার জন বিশ্ববন্দিত কবির নির্বাচিত কবিতার অনুবাদ করার প্রয়াস রইলো এই পর্ব গুলিতে। পর্ব: ১ বব ডিলানের নির্বাচিত কবিতার অনুবাদ বব ডিলান: সংক্ষিপ্ত কবি-পরিচিতি মার্কিন গায়ক, গীতিকার, লেখক, কবি বব ডিলান (রবার্ট অ্যালেন জিম্মারমান) ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বজনীন মূল্যবোধের অবক্ষয়, আর্থিক মান্দায় জর্জরিত সমাজ ব্যবস্থায় নাভিশ্বাস ওঠা মানুষ বার বার ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ খুঁজে পেয়েছে ডিলানের রক, পপ, জ্যাজ ও লোক সংগীতে। মাটির গন্ধ মেশা ডিলানের লোক-সংগীত কিন্তু আঞ্চলিকতায় আবিষ্ট নয়। ডিলানের লোক-সংগীতে সুরের

কেশরী’ : ইতিহাসের নাড়িতে জাতীয়তাবাদের সিংহনিনাদ/ রাকেশ সিংহ দেব

Image
' কেশরী’ : ইতিহাসের নাড়িতে জাতীয়তাবাদের সিংহনিনাদ পরিচালক – অনুরাগ সিং  অভিনয় – অক্ষয় কুমার, পরিনীতি চোপড়া  মুক্তি – ২১ মার্চ, ২০১৯  রেটিং – 3/5  শিখ মানেই জাত্যাভিমান। শিখ মানেই দেশপ্রেম। শিখ মানেই স্থান কাল পাত্র সব কিছুর ঊর্ধ্বে নিজের পাগড়ি শোভিত শির আত্মসম্মানের সাথে তুলে ধরার পণ। এই আদর্শের প্রতীক হল কেশরী রঙ। আমরা বাঙালীরা যাকে বলি ত্যাগের প্রতীক গেরুয়া। শিখদের জীবনে ত্যাগ, আত্মবলিদানের কেশরিয়া দীক্ষা দিয়েছিলেন গুরু নানক সাহেব। এই কেশরীর আব্রু রক্ষায় মোঘলদের কচুকাটা করেছিলেন গুরু গোবিন্দ সিং জী। ‘সওয়া লাখ সে এক লড়ায়ু’ গুরু গোবিন্দ সিংজীর এই আত্মপ্রত্যয়ী বজ্রনিনাদ আজও অকুতোভয় শিখ জাতির বীজমন্ত্র। এই বীজমন্ত্র অবগাহনে আফগানিস্তানের রুক্ষ মরুপ্রান্তরের এক যুদ্ধ লড়েছিল অকুতভোয় একুশ শিখ সিংহ। যেখানে ঘোড়া ছুটিয়ে ধেয়ে এসেছিল হাজার হাজার আফগান পাঠান যোদ্ধা। আর তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যাবতীয় অস্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর , শেষ অস্ত্র হিসাবে দাঁড়িয়ে ছিল সেই কতিপয় শিখ সেনানীর অদম্য 'সাহস'। এই অমানবিক সাহসিকতার কাহিনি ইতিহাসে 'সারাগারহির যুদ্ধ' নামে খ্যাত। বর্তমান

পূর্বমেদিনীপুর জেলার মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের কথ্যভাষা-৬/ বিমল মণ্ডল

Image
Spoken language of the fishing community of East-Medinipur district / Bimal Mondal পূর্বমেদিনীপুর জেলার মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের কথ্যভাষা -৬ বিমল মণ্ডল       ধ্বনিতত্ত্ব(Phonology)   ৩. ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন ধারা  ভাষা পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান দিক হলো ধ্বনি পরিবর্তন। পূর্ব- মেদিনীপুর জেলার সমুদ্র উপকূলবর্তী মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের কথ্যভাষায় যে শিষ্ট বাংলা ভাষার মতো তাঁদের উপভাষাতেও এই ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন রীতি অনুসৃত হয়। আর এই ধ্বনি পরিবর্তন চলিত বাংলা ভাষায় ন্যায় এই জেলার মৎস্যজীবীদের কথ্যভাষায় ধ্বনি পরিবর্তনের চারটি ধারা লক্ষ্য করা যায়। যেমন- ৩.১. ধ্বনির আগম এই ধ্বনির আগম এই জেলার কথ্যভাষায় উচ্চারণের সাথে সাথে স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির আগম দেখা যায়। তাই  সাধারণত এই ধ্বনির আগমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—      ৩.১.১. স্বরাগম   এই জেলার  মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষ সহজ ভাবে উচ্চারণ করতে করতে শিষ্ট চলিত বাংলার ন্যায় এদেরও কথ্যভাষায় তিন ধরনের ধ্বনির আগমের প্রয়োগ দেখা যায়। তা হলো- ক. আদি স্বরাগম স্ত্রী>ইস্ত্রি, স্কেল>ইসকেল, স্কুল>ইসকুল, স্টেজ>ইসটেজ, স্তুপ>উসতু

৩০ অক্টোবর ২০২০

Image
Today is the 30 October, 2020 আজকের দিন  বাংলায় --- ১৩ কার্তিক শুক্রবার ১৪২৭ আজ, সুবিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায়ের জন্মদিন। স্বল্পতম জীবন।বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিকদের একজন।তাঁর লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হ-য-ব-র-ল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরনের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের মাইলফলক। আজ, আধুনিক বাংলা কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন। কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনাকারীদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলা কবিতায় “ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক” বলা হয়।১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ ১২ বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। যিনি আবেগের প্রকাশ ঘটিয়েছেন এইভাবে ----- একটি কথার দ্বিধা থরথর চূড়ে/ ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী। আজ, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার দিয়াগো মারাদোনার জন্মদিন।  চারটি ফিফা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে ছিল ১৯৮৬ বিশ্বকাপ, যেখানে তিনি আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং দলকে বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেন।প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বর্ণগোলক জিতেন।জন্মদিনে শুভেচ

দিনের শেষে একটু হাসুন ২৯ অক্টোবর ২০২০

Image
                            দিনের শেষে  ২৯/১০/২০২০ ১) ভারত সরকারের জলশক্তি মন্ত্রকের অধীনে প্রদত্ত "National Water Award"- এর প্রথম পুরস্কার পেল দেওঘরের "সৎসঙ্গ"! ২) আজ আই পি এল-এর ৪৯-তম ম্যাচে মুখোমুখি কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং চেন্নাই সুপার কিংস, দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।  ৩) প্রয়াত হলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পীকার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী  এবং সুচিকিৎসক ড. সুকুমার হাঁসদা!  ৪) সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন যে ডিসেম্বর মাসেই পাওয়া যাবে করোনা ভ্যাকসিন!  ৫) করোনা-র তীব্রতায় জার্মানি ও ফ্রান্সে নতুন করে লকডাউন জারি হল!  ৬) করোনা-র আবহে পিছিয়ে গেল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, আগামী বছরের ৮ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।  ৭) কর্তব্যে গাফিলতি ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগে মাননীয় রাষ্ট্রপতি তাঁর ক্ষমতাবলে সরিয়ে দিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর যোগেশ ত্যাগী-কে!  ৮) করোনা ভয়াবহতায় "মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা " ভার্চুয়ালি করার সিদ্ধান্ত নিল ফেমিনা কত্তৃর্পক্ষ!  ৯) ৩৪ বছর পর অ

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সঙ্গীতামৃত -২৩/ সুদর্শন নন্দী

Image
পর্ব-২৩ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সঙ্গীতামৃত   সুদর্শন নন্দী ঠাকুরকে যারা গান শুনিয়েছেন অর্থাৎ যারা গান গেয়েছেন উল্লেখযোগ্য তাঁদের কয়েকজন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম (শেষ অংশ) তারাপদ -- ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে আগত সুপ্রসিদ্ধ গায়ক। বলরাম বসুর ঘরে গিরিশচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ ভক্তদের সাথে তিনি ঠাকুরের দর্শনলাভে ধন্য হন। সেই সময়ে গায়ক হিসাবে তাঁর পরিচয় জানতে পেরে ঠাকুর তাঁর গান শুনবার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারাপদ গিরিশ ঘোষের “কেশব কুরু করুণা দীনে” গানটি শোনালে ঠাকুর সন্তুষ্ট হন এবং ঠাকুরের অনুরোধে তিনি আরও কতকগুলি ভজন ও কীর্তন গেয়ে শোনান। নবাই চৈতন্য -- প্রকৃত নাম নবগোপাল মিত্র। শ্রীরামকৃষ্ণের গৃহীভক্ত মনোমোহন মিত্রের জ্যেষ্ঠতাত। তিনি দক্ষিণেশ্বরে প্রায়ই আসতেন এবং শ্রীশ্রীঠাকুরের কথামৃত শুনতেন এবং উচ্চ সংকীর্তনাদি করতেন। পানিহাটীর উৎসবে শ্রীশ্রীঠাকুরের বিশেষ কৃপালাভ করে ধন্য হন তিনি। তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের দর্শন ও কৃপালাভ করার পরে সংসারের ভার পুত্রের উপর দিয়ে কোন্নগরে গঙ্গাতীরে পর্ণকুটিরে জপধ্যান ও কীর্তনাদি করতেন। ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁহার গৃহে পদার্পণ করেছিল